Sunday, May 20, 2018
Blog

কুষ্টিয়ার দাদা রাইস এজেন্সীর পক্ষ থেকে গরীব দুস্থদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা অলটাইম নিউজ ডটকম :
অর্পণ মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার:- কুষ্টিয়ার খাজানগর দাদা রাইস এজেন্সী ও দাদা পরিবারের পক্ষ থেকে এলাকার কয়েক’শ গরীব দূস্থ-অসহায় পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

গত শুক্রবার সকালে খাজানগরে অনুষ্ঠিত ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে খাজানগর সূচনা সংঘের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সালাম অটো রাইচ মিলের চেয়ারম্যান হাজী আব্দুস সালাম প্রধান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা চাউল কল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন। অনুষ্ঠানে সূচনা সংঘের সভাপতি রাসেল আহাম্মেদের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া রোটারী ক্লাবের সেক্রেটারি ও কুষ্টিয়া পুনাক ফুড পার্কের স্বত্ত্বাধিকারী এস এম আলিমুল হক সনজু।

 

অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কবুরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীন, দাদা রাইচ এজেন্সীর পরিচালক শাহা জালাল,জেলা চাল কল মালিক সমিতির সদস্য আক্কাস আলী মেম্বর, বটতৈল ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ, খাজানগর বড় মসজিদের পেশ ঈমাম মিয়া হুসাইন প্রমুখ।

আলোচনা শেষে অতিথিরা এলাকার কয়েক’শ গরীব দুস্থ-অসহায় পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন।

 

পুনাক ফুড পার্কের ইফতার পাটি অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা অলটাইম নিউজ ডটকম :
অর্পণ মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার:- কুষ্টিয়া পুনাক ফুড পার্কের আয়োজনে দোয়া ও ইফাতার মাহফিল অনুষ্ঠান পুনাক ফুড পার্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়া রোটারী ক্লাবের সভাপতি ওবাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হান।

পুনাক ফুড পার্কের ইফতার পাটি অনুষ্ঠানে বিশেষে অতিথি ছিলেন,কুষ্টিয়া পৌর মেয়র আনোয়ার আলী, কুষ্টিয়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ পরিচালক মো: সামসুল হক ও কুষ্টিয়া শহর সমাজ সেবা অফিসার কে কে এম ফজলে রাব্বি।

কুষ্টিয়া পুনাক ফুড পার্কের ইফতার পাটি অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,দৈনিক কুষ্টিয়ার কাগজের সম্পাদক নুর আলম দুলাল, দৈনিক কুষ্টিয়ার সম্পাদক ড. আমানুর রহমান আমান, রোটারী ক্লাব অব কুষ্টিয়ার সেক্রেটারি ও পুনাক ফুড পার্কের সসত্ত্বাধিকারী এ এফ এম আলিমুল হক সনজু।

 

কুষ্টিয়া চাউল কলল মালিক সমিতির সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, কে এন এন বি এর পরিচালক কামরুজ্জামান, রোটারীয়ান অজয় সুরেকা,পাষ্ট প্রেসিডেন্ট রফিকুল আলম টুকু, জয়েন্ট সেক্রেটারী তহিদুল ইসলাম, রাসেল পারভেজ, ট্রেজারার বরেন পোদ্দার, রোটারীয়ান ফকরুল আলম মিলন, মেম্বর ,জাহিদুল ইসলাম রনি, শাহজামাল তানভির, রফিকুল ইসলাম, আবু হাসান মিঠু প্রমুখ।

সংক্ষিত আলোচনা ও দোয়া মাহফিল শেষে ইফতার পাটি অনুষ্ঠিত হয়।

 

কুষ্টিয়াতে গাঁজা গাছসহ এক গাঁজা চাষী আটক !!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা অলটাইম নিউজ ডটকম :
অর্পণ মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার:- কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ইবি থানার বিত্তিপাড়া বাজার সংলগ্ন বধ্যভুমির পাশে হোসেন মেম্বারের জমি থেকে একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করেছে ইবি থানার ওসি রতন সেখ। সেই সাথে বিত্তিপাড়া গ্রামের নওয়াব আলী ছেলে সবুজ(২৫) সহ ১ জন কে আটক করা হয়েছে।

আটকৃতদের মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দিয়ে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

 

বিত্তিপাড়া বাজার সংলগ্ন বধ্যভুমির পাশে হোসেন মেম্বারের জমি থেকে একটি গাঁজার গাছের ব্যাপারে ওসি রতন শেখ বাংলা অলটাইম নিউজকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কৃষক বেশে বিত্তিপাড়া বাজারে বধ্যভুমির পাশে একটি পরিত্যাক্ত আগাছার জমির ভিতর থেকে একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করা হয়।

ইবি থানার ওসি রতন সেখ ফতুয়া ও লুঙ্গি পরে মাজায় গামছা বেধে কৃষক সেজে এই গাজার গাছ উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

 

আটককৃতদের নামে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(ক) ধারায় একটি মামলা করা হয়েছে। মামলা নং-১০, তারিখঃ ১৯/০৫/২০১৮।

 

গড়াই নদীতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের সময় ড্রেজার জব্দসহ এক জনের কারাদন্ড !!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা অলটাইম নিউজ ডটকম :
অর্পণ মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার:-আজ শনিবার বিকেলের দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী গড়াই নদীতে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করার সময় ড্রেজার জব্দশ খায়রুল ইসলাম নামের এক জনকে এ মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মো. জহির রায়হানের নির্দেশে কুমারখালী পৌরসভার এলঙ্গীপাড়ায় এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ মুসাব্বেরুল ইসলামের নেতৃত্বে থানা পুলিশের সহযোগীতায় এলঙ্গী পাড়া থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ড্রেজার মেশিন, পাইপ ও ড্রেজার মেশিনের মালিক খায়রুল ইসলামকে আটক করা হয়।

পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা ২০১০ এর ৪ ধারা মোতাবেক অভিযুক্ত খায়রুলকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এসময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোহাম্মদ মুসাব্বিরুল ইসলাম বাংলা অলটাইম নিউজকে বলেন, গড়াই নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের দায়ে এর আগেও খায়রুল ইসলাম কে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

 

একই ব্যাক্তি খায়রুল ইসলাম আইনের প্রতি শ্রদ্ধা না রেখে উক্ত গড়াই নদী থেকে বালি উত্তোলন করার অপরাধে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

কুষ্টিয়াতে হাজার পিচ ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ী আটক !!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা অলটাইম নিউজ ডটকম :
অর্পণ মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার:- আজ শনিবার সকালের দিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অভিযান চালিয়ে এক হাজার পিচ ইয়াবাসহ আনোয়ান হোসেন নামের এক মাদক ব্যবসায়ী আটক করেছে কুষ্টিয়া গয়েন্দা পুলিশ।

 

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে উপজেলার আল্লারদর্গা এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক আনোয়ার (২৫) চট্রগ্রামের রায়পুর এলাকার নুরুনব্বী মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংনাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে উপজেলার আল্লারদর্গা এলাকায় ইন্সপেক্টর জাহিদ ইকবাল, এস আই নওশাদ ও এ এস আই রশিদ সংগীয় ফোর্সসহ অভিযান চালায় কুষ্টিয়া গয়েন্দা পুলিশের একটি দল ।

 

তারপরে ঘটনাস্থলে পৌছে আনোয়ার’কে চেলেঞ্জ করে এবং তার শরীরে বিশেষ কায়দায় রাখা ১ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধারসহ তাকে আটক করা হয়।

দৌলতপুর থেকে হাজার পিচ ইয়াবাসহ আটককৃত আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

 

মানুষ না হয়ে এভাবে মুসলমান হয়ে লাভ কি ?

শফিকুল ইসলাম রিপন;-মাত্র কিছুদিন আগেও আমাদের বাংলাদেশে বেগুন ছিল ২৫-৩০ টাকা কেজি। আর এখন, রোজা শুরুর কয়দিন আগে থেকে তার দামবৃদ্ধি পেতে-পেতে সেই বেগুনের দাম হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেয়ে ৭০-৮০ টাকা কেজি হয়ে গিয়েছে ! আর সামান্য শশা ছিল ২০ টাকা, আর খুব বেশি হলে তা ছিল ২৫-৩০ টাকা কেজি। কিন্তু সেই শশারও বেগুনের মতো হঠাৎ করে দামবৃদ্ধি পেয়ে তা হয়ে গিয়েছে ৬০-৭০ টাকা কেজি !

একি ‘মগের মুল্লুক’ নাকি ? হয়তো বা তা-ই। আসলে, দেশে হঠাৎ করে কোনোকিছুর দামবৃদ্ধি পায়নি। কারণ, মুসলমানদের মাহে রমজানের আগে থেকে পরিকল্পিতভাবে এভাবে দামবৃদ্ধি করছে এদেশেরই একশ্রেণীর মুসলমান-নামধারী কতকগুলো নরপশু।

বাংলাদেশে রোজার আগে সব জিনিসের দাম প্রায় স্থিতিশীল থাকলেও রোজার শুরুতে হঠাৎ করে তার দাম বাড়ানো হয়েছে। আর এই অপকর্মটি করে চলেছে এদেশেরই মুসলমান। এরা নাকি বড়-বড় ব্যবসায়ী। আর নামে একেকটা শিল্পপতি, সিআইপি, ভিআইপি, ভিভিআইপি ! আরও কত কি ! এরা দেশে কত মসজিদ-মাদ্রাসা বানিয়েছে !

 

চলতি বছরের রোজার শুরুতে বরাবরের মতো শুধু বেগুন-শশারই দাম বাড়েনি—দাম বেড়েছে অন্যান্য আরও কিছু দ্রব্যসামগ্রীর। রমজান-উপলক্ষে সাধারণ মানুষের গলাকেটে কাঁচাপয়সা-উপার্জনের নিমিত্তে একশ্রেণীর মুসলমান এখন ভয়ানকভাবে দিশেহারা আর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। মনে রাখবেন: এরা শুধুই মুসলমান। আর খুব সহজে এরা মুসলমান হয়ে গিয়েছে। এরা এখনও মানুষ হয়নি। আর এরা কখনও-কোনোদিন মানুষ হবে কিনা তা নিয়েও সবার মনে ঘোরতর সন্দেহ রয়েছে।

রমজানের কয়েকদিন আগে থেকে বেগুন-শশার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দাম বেড়েছে টমেটো, লেবু, ধনিয়াপাতা, পুদিনাপাতা, খেজুর, পেঁপে, কলা, আম, লিচুসহ আরও অনেক কিছুর। এদেশের সাধারণ মুসলমানশ্রেণী যে-সব সামগ্রী প্রতিদিন তাদের ইফতারিতে ব্যবহার করে থাকে—ব্যবসায়ী নামক কসাই তথা নরপশুগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে সে-সব পণ্যেরই দাম বাড়িয়েছে। মনে রাখবেন: এরা কিন্তু মুসলমান !

এই তো কয়েকদিন আগে লেবুর হালি ছিল ১০-১৫ টাকা কিংবা আকৃতিতে একটু ভালো বা বড় হলে তা সর্বোচ্চ ২০ টাকা। আমাদের মুসলমানরা রোজার মর্যাদা রাখতে আজ সেই লেবুর হালি পর্যন্ত এখন নিয়ে ঠেকিয়েছে ৪০-৫০ টাকায় ! একটা বড় লেবু কিনতে গেলে ১০-১৫ টাকা লাগে !

অথচ, রোজার আগে তার দাম ছিল বড়জোর ৪-৫ টাকা। আজ এই রোজার মাসে সেই লেবুর হালি ৪০ টাকা ! আর স্থানভেদে কিংবা অভিজাত-বিপণীগুলোতে এই একই লেবু ৫০-৬০ টাকা হালিতে পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে ! এরা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে মাছ-মাংসেরও দাম বাড়িয়েছে !

ছোলা, পেঁয়াজ, চিনি তথা ইফতারসামগ্রীতে ব্যবহৃত প্রায় সব জিনিসের দাম বাড়িয়েছে এদেশেরই ব্যবসায়ী নামক একটি বেজন্মা-গ্রুপ। এরা সবসময় তা-ই করে থাকে। এরা আবার জাতে মুসলমান। এদের অনেকে এখনও কত মসজিদ-মাদ্রাসার সভাপতি আর সেক্রেটারি ! এরা আবার আজকের বাংলাদেশে উন্নতজাতের অতিমুসলমান ! প্রায় সবাই মডারেট-মুসলমান।

রোজার মাসে পণ্যসামগ্রীর মূল্য-নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার (রোজার আগে) পর্যাপ্ত পরিমাণে পেঁয়াজ, ছোলা, ডাল, চিনি, তেল ইত্যাদিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী আমদানি করেছে। এগুলোর সরবরাহ বেশি রাখার জন্য সরকার এই ব্যবস্থা করেছে। বাজারে এখনও পর্যন্ত পর্যাপ্ত পরিমাণে দ্রব্যসামগ্রী রয়েছে।

মাত্র কয়দিন আগের ১৫ টাকার আলু (স্থানভেদে ১৮-২০ টাকার সেই গোলআলু) আজ ২৫ টাকা হয়ে গিয়েছে! এই না হলে বাংলার ঈমানদার-মুসলমান ! দেশের সরকার রোজার মাসে সাধারণ মানুষের মধ্যে অবাধে পণ্যসরবরাহের জন্য বেশ কয়েকটি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক একেবারে তুলে দিয়েছে। এগুলো এখন শুল্কমুক্ত পণ্য। আরও কয়েকটি পণ্যের শুল্কের হার একেবারে কমিয়ে দিয়েছে।

তবুও এই ব্যবসায়ী-নামক হায়েনাগুলো সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে নিজেদের স্বার্থে নিয়মিত পণ্যের দাম বাড়িয়ে চলেছে ! বলুন তো, এরা কি মানুষ ? না, নিশ্চয়ই না। এরা নিঃসন্দেহে অমানুষ। আর এই অমানুষগুলোই নাকি আজ মুসলমান !

এখানে, আজ কত সহজে মুসলমান হওয়া যায়। মাথায় একটা সাদা বা যে কোনো রঙের টুপি, মুখে কয়েকগোছা দাড়ি, আর পরনে পায়জামা-পাঞ্জাবি কিংবা লুঙ্গিসমেত পাঞ্জাবি পরলে সেও বিরাট একখান মুসলমান ! রমজান-মাসে নিজেদের মুসলমানিত্ব জাহির করার জন্য একশ্রেণীর প্রাণি আদাজল খেয়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেয়। আর সে কিন্তু এখনও এক সেকেন্ডের জন্য মিথ্যা পরিত্যাগ করেনি ! তবুও সে নিজেকে সমাজে-রাষ্ট্রে মুসলমান হিসাবে সাজাতে ও প্রকাশ করতে চায় ! স্বার্থের জন্য সমাজে এখন অনেকেই মুসলমান সাজছে।

কারওয়ান-বাজার, চকবাজার, নিউমার্কেট, গাউছিয়াসহ দেশের অধিকাংশ বিপণীগুলোতে গিয়ে দেখুন একশ্রেণীর ছোট-বড় ব্যবসায়ী এই রমজান-মাসে নিজেকে মুসলমান হিসাবে জাহির করার জন্য কত রকমের কলাকৌশল অবলম্বন করে চলেছে।

এদের কারও-কারও মাথায় দিবারাত্রির প্রায় ২৪ ঘণ্টা একখান টুপি আছে ! আবার কারও-কারও মুখে ইঞ্চিখানেক দাড়ি (রোজার কিছুদিন আগে থেকে তার এই পরিকল্পনা ছিল)! আবার কেউ-কেউ মাথায় টুপি ও পাঞ্জাবি পরে বসে রয়েছে ! কিন্তু এসবই ব্যবসা আর কি ! আর ধান্দাবাজি সবারই সমান। এরা লোকের কাছে ফাঁকি দিয়ে খারাপ জিনিস বিক্রি করতে ভয়ানক ওস্তাদ। বেশি পণ্য বিক্রির স্বার্থে এরা ক্রেতাদের কাছে এভাবে মুসলমান সেজেছে।

রমজান-মাসেও এদেশের মুসলমান-ব্যবসায়ীরা প্রায় সমস্ত কাঁচামালে, ফলমূলে ও শাকসবজিতে দেদারসে বিষাক্ত ও নিষিদ্ধ কার্বাইড, ফরমালিন, ইথানল ইত্যাদি ব্যবহার করছে। ধর্মবিশ্বাসে এরা সবাই মুসলমান। মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যবিষয়ক ঝুঁকি নিয়ে আজ এদের মধ্যে ন্যূনতম দয়ামায়া নাই। এরা ভয়ানক অর্থলোভী। আর এরাই বুঝি মুসলমান ?

অধিক মুনাফার লোভে এই মুসলমান-ব্যবসায়ীসমাজ আজ দেশবাসীকে নানারকম কষ্ট দিচ্ছে। এদের মধ্যে কবে একটুখানি মনুষ্যত্ব জাগবে ? আর এরা মানুষ না হয়ে আর কতকাল এভাবে শুধু মুসলমান সেজে থাকবে ?

আমাদের, আগে মানুষ হতে হবে। আর সবাইকে হতে হবে মানুষের মতো মানুষ। নামকাওয়াস্তে কোনো-এক মানুষ হলে চলবে না। আমাদের থাকতে হবে মানবিকসত্ত্বা । আমাদের হতে হবে মানবিক। সবার আগে আমাদের মনে মানবিকতা জাগ্রত করতে হবে। আর একজন মানুষ হিসাবে অবশ্যই মনুষ্যত্বের জাগরণ ঘটাতে হবে। সমগ্র মানবজীবনে একমাত্র মনুষ্যত্বই শ্রেষ্ঠ অর্জন। আর পৃথিবীতে মানুষ না-হয়ে কিংবা অমানুষে পরিণত হয়ে ধর্মপালন করতে যাওয়াটা সম্পূর্ণ বোকামি। কারণ, পশুদের ধর্মপালনের কোনো প্রয়োজন নাই। তাই, সবার আগে এইসব মুনাফালোভী-কালোবাজারিচক্রকে আগে মানুষ হতে হবে। তারপর তাদের মুসলমান হওয়ার কথা ভাবতে হবে। আর চিরদিন মনে রাখতে হবে: নিজস্বার্থে মানুষের গলায় ছুরি চালিয়ে কখনও-কোনোদিন ধার্মিক হওয়া যায় না।

দেশের মুসলমান-ব্যবসায়ীরা রমজান-মাস উপলক্ষে রাতারাতি জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের গলাকেটে অবৈধ উপায়ে অর্থোপার্জন করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করছে না। এদের মধ্যে মানবিকসত্ত্বা একেবারে অনুপস্থিত। এদের কারও মধ্যে মানবপ্রেম, দেশপ্রেম, ভ্রাতৃত্ববোধ কোনোকিছুই দেখতে পাই না। এরা চেনে শুধু টাকা। আজ এদের মনুষ্যত্ব নাই। আর এদের কারও মধ্যে কোনোদিন সামান্য মনুষ্যত্ব ছিল কিনা সন্দেহ। এই অমানুষগুলোই সমাজে-রাষ্ট্রে নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার জন্য এখন নিজেদের মুসলমান বলে প্রচার করছে। এরা নামে ও জাতে আসলেই মুসলমান। কিন্তু এদের কাউকেই আজ মানুষ বলা যায় না। এইসব স্বার্থপর-অমানুষ শুধু মুসলমান হয়েছে কিন্তু মানুষ হয়নি। তাই, মানুষ না হয়ে এভাবে মুসলমান হয়ে লাভ কি ? আর মানুষ না হয়ে এভাবে মুসলমান সেজে লাভ কি ?

 

তিন মাসেই কোটিপতি ইমরান-সাফা !!

বিনোদন ডেস্ক : বাংলা অলটাইম নিউজ ডটকম :
আপন চৌধুরী,স্টাফ রিপোর্টার,ঢাকা অফিস:-ইউটিউবে বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয়তার বিচারে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলেন ইমরান মাহমুদুল।

তার গাওয়া ‘এমন একটা তুমি চাই’ গানটি প্রকাশের তিন মাসের মাথায় কোটি ভিউয়ের ক্লাব অতিক্রম করল। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয় গান-ভিডিওটি।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের গল্পে নির্মিত ভিডিওতে ইমরানের বিপরীতে মডেল হয়েছেন ছোটপর্দার অভিনেত্রী সাফা কবির। ভিডিওতে রোবট চরিত্রে দেখা গেছে ইমরানকে।

এমন একটা তুমি চাই’ গানের কথা লিখেছেন মেহেদী হাসান লিমন। সুর করেছেন নাজির মাহমুদ, সংগীতায়োজন করেছেন মুশফিক লিটু। ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন ভিকি জাহেদ।

অল্প সময়ে গানটি কোটি ভিউ পেরোনো প্রসঙ্গে ইমরান বাংলা অলটাইম নিউজকে বলেন, ‘এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমি নিজেও ভাবিনি, আমার কোনো গান এত দ্রুত সবখানে ছড়িয়ে পড়বে। আমি তো মনে করি, এই বছরে এটি হবে দেশের অন্যতম হিট গান।

ইমরান বাংলা অলটাইম নিউজকে আরো বলেন, ‘সেদিকেই বিষয়টি এগোচ্ছে। এর জন্য গানটির সংশ্লিষ্ট সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাই।’

ডিড ইউ ডু ইট…ডিড ইউ ডু ইট…“ গাঙ টিটি “

এই পাখির বাংলা নামঃ নদী টিটি। আঞ্চলিক নামঃ গাঙ টিটি, হুক্কা টিটি ইত্যাদি।

এস আই সোহেল, বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের নির্বাহী সদস্য এবং কুষ্টিয়া বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি:-( আমার প্রিয় পাখি ) ডিড ইউ ডু ইট…ডিড ইউ ডু ইট…ঠিক এমনটিই উচ্চারণ করে ডাকছিল, এই পাখিটি। তার দোসর, পাশ থেকে সুইট হার্ট…সুইট হার্ট…শব্দে উত্তর নিচ্ছিল।

 

এই পাখির বাংলা নামঃ নদী টিটি। আঞ্চলিক নামঃ গাঙ টিটি, হুক্কা টিটি ইত্যাদি।

ছোট বেলা থেকেই এই পাখিদেরকে আমি দেখে আসছি পদ্মা-গড়াই নদীর ঠিক মোহনায়।

আগে দেখেছি ঝাঁক ধরে থাকতে। এখন গেলে নিদেন পক্ষে ১ টির সাথে অন্তত আমার, দেখা হয়েই যায়। কেন যেন মনে হয়, পাখি বা প্রকৃতিকে রক্ষা করতে খুব বেশী টাকা-পয়সার দরকার হয়না।

দরকার হয় শুধু ইচ্ছের………..

এই পাখির বাংলা নামঃ নদী টিটি। আঞ্চলিক নামঃ গাঙ টিটি, হুক্কা টিটি ইত্যাদি। ইংরেজি নামঃ River Lapwing বৈজ্ঞানিক নামঃ Vanellus davaucelii

“গুদ-লাল” পক্ষী……………..বুলবুল, বুলবুলি, কুঝঝুটি, কুলঝুটি, কুজঝুটিকা

 

 

পিচ্চি পোলাপান পিছু নিয়েছে আমার। ছবির পাখিটাকে দেখে, আমারে পোলাপানের দল বলে। ওই গুদ-লাল পক্ষীর ছবি তোলেন তো।

হাসবো না ছবি তুলবো…? আবার বলে, ছবি তুলে ক্যামেরায় দেখান। বাধ্য হয়ে তুলেছি ছবিটি। এবার আপনাদের পালা এই “গুদ-লাল” পক্ষীর ছবি দেখার…. 🤣😁😍

বাংলা নামঃ বাংলা বুলবুল, কালা বুলবুল, কালচে বুলবুলি বা লালপুচ্ছ বুলবুলি।
বৈজ্ঞানিক নামঃ পিকনোনোটাস কাফের। ইংরেজি নামঃ রেড-ভেনটেড বুলবুল।

গোত্রঃ পিকনোনোটিদি। আঞ্চলিক নামঃ বুলবুল, বুলবুলি, কুঝঝুটি, কুলঝুটি, কুজঝুটিকা।
দুষ্টুমী মাখা মিষ্টি ছেলেদের দেওয়া নামঃ “গুদ-লাল” পক্ষী………………🤣😁😂

 

 

‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ ভেষজ উপকারিতা …. আপনি জানলে আজ থেকে খাওয়া শুরু করবেন !!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলা অলটাইম নিউজ ডটকম :
অন্তর আহাম্নেদ,স্টাফ রিপোর্টার:- দুধ ও চিনির সঙ্গে ‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’- বাংলাদেশে আগে অনেক ভেষজ উদ্ভিদে পরিপুর্ন ছিল। আর সেগুলোর ছিল নানা রকমের ঔষুধিগুণ। কিন্তু জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে গাছগাছালি কাটার ফলে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে সেই সব উপকারী ভেষজ উদ্ভিদ ও এদের ঔষুধি ফুল ও ‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’।

হারিয়ে যাওয়া ঔষুধি ফলের মধ্যে অন্যতম হল ‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ ফল। মোরাসিয়ে গোত্রভূক্ত ৮৫০টিরও অধিক কাঠজাতীয় গাছের প্রজাতি বিশেষ হল ডুমুর। এ প্রজাতির গাছ, গুল্ম, লতা ইত্যাদি সম্মিলিতভাবে ডুমুর গাছ বা ডুমুর নামে পরিচিত

‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ ফল নরম ও মিষ্টি জাতীয় ফল। ফলের আবরণ ভাগ খুবই পাতলা এবং এর অভ্যন্তরে অনেক ছোট ছোট বীজ রয়েছে। এর ফল শুকনো ও পাকা অবস্থায় ভক্ষণ করা যায়। উষ্ণ জলবায়ু অঞ্চলে এ প্রজাতির গাছ জন্মে। কখনো কখনো জ্যাম হিসেবে এর ব্যবহার হয়ে থাকে।

Alltime
‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ পিত্ত ও আমাশয় রোগে উপকারী।

তাছাড়াও, স্ন্যাক জাতীয় খাবারেও ডুমুরের প্রয়োগ হয়ে থাকে। শহর-নগর সর্বত্র ডুমুর পাওয়া যায় না। গ্রামগঞ্জে যেখানে-সেখানে ডুমুর গাছ দেখতে পাওয়া যায়। ডুমুরগাছ কেউ লাগায় না, আপনা আপনি হয়। তবে ডুমুর খুবই উপকারী। দুই ধরনের ডুমুর দেখা যায়– গোল ডুমুর ও যজ্ঞ ডুমুর।

ডুমুরের পাতা খসখসে হয়। গোল ডুমুরের পাতা লম্বা এবং যজ্ঞ ডুমুরের পাতা গোল।‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ হাটবাজারে কিনতে পাওয়া যায় না। গোল ডুমুর ডালনা ছেঁচকি খাওয়া যায়। তবে ডুমুর ফুটতে সময় লাগে। কারণ ডুমুরের বাইরের অংশ কেটে নিয়ে রান্না করা হয়।

‘যজ্ঞ ডুমুর’ কয়েক প্রজাতির হয়। বর্তমানে আমাদের দেশে সচরাচর যে ডুমুর পাওয়া যায় (Ficus hispida) তার ফল ছোট এবং খাওয়ার অনুপযুক্ত। এর আরেক নাম ‘কাকডুমুর’।

‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ গাছ অযত্নে-অবহেলায় এখানে সেখানে ব্যাপক সংখ্যায় গজিয়ে ওঠে। গাছ তুলনা মূলক ভাবে ছোট। এটি এশিয়ার অনেক অঞ্চলে এবং অস্ট্রেলিয়ায় পাওয়া যায়।

পাখিরাই প্রধানত এই ডুমুর খেয়ে থাকে এবং পাখির বিষ্ঠার মাধ্যমে বীজের বিস্তার হয়ে থাকে। অনেক এলাকায় এই ডুমুর দিয়ে তরকারি রান্না করে খাওয়া হয়। এই ডুমুরের পাতা শিরিশ কাগজের মত খসখসে। এর ফল কান্ডের গায়ে থোকায় থোকায় জন্মে।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একে তীন,আঞ্জির ইত্যাদি নামে ডাকা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যে ডুমুর পাওয়া যায়, তার ফল বড় আকারের; এটি জনপ্রিয় ফল হিসেবে খাওয়া হয়।অনেক দিন ধরে বানিজ্যিক ভাবে এর চাষ হয়ে থাকে আফগানিস্তান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত।

‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ এর আরবি নাম ‘তীন; হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও মারাঠি ভাষায় একে ‘আঞ্জির’ বলা হয়। এই গাছ ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য।

জগ ডুমুর বা যজ্ঞ ডুমুর নামে আরেক প্রজাতির ডুমুর রয়েছে, যার বৈজ্ঞনিক নাম Ficus racemosa। এছাড়া অশ্বত্থ বা পিপল নামে আরেকটি ডুমুর জাতীয় গাছ আছে, যার বৈজ্ঞানিক নাম Ficus religiosa। এটি বট গোত্রীয় বৃক্ষ, এর পাতার অগ্রভাগ সূচাল।‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ উপরিউক্ত প্রজাতি ছাড়াও ডুমুরের আরো অনেক প্রজাতি রয়েছে।

‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ অত্যন্ত উপকারী ফল। তবে এর উপকারিতা সম্পর্কে অনেকেই জানে না।
আর এ জন্যই অবহেলিত হয়ে আসছে এই উপকারী ফলটি।
ডুমুর ফলের উপকারিতা অর্থাৎ এর বিভিন্ন ঔষুধিগুণ আলোকপাত করা হলঃ-

‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ পিত্ত ও আমাশয় রোগে উপকারী।এতে লোহা বেশি আছে বলে বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ রক্তপিত্তা, রক্তপ্রদর, রক্তপড়া অর্থাৎ রক্তহীনতা রোগে উপকারী।

জ্বরের পর ডুমুর রান্না করে খেলে টনিকের কাজ করে।মেয়েদের মাসিকের সময় বেশি রক্তস্রাব হলে কচি ডুমুরের রসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে উপকার হয়।

দুধ ও চিনির সঙ্গে ‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’এর রস খেলেও অধিক ঋতুস্রাব বন্ধ হয়।আমাশয় হলে কচি ‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ পাতা আতপ চালের সঙ্গে চিবিয়ে খেলে ভালো হয়।তিন দিন খেতে হয়।আর সাদা ও রক্ত আমাশয় হলে, ডুমুরগাছের ছাল রস ২ বেলা ২ চামচ রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে ভালো হয়।

মাথাঘোরা রোগে, ‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ ভাজা করে খেলে ভালো হয়। তবে সর্বদা মনে রাখতে হবে ডুমুরের ভেতরের অংশ অখাদ্য। খেলে ক্ষতি হবে। সবসময় ডুমুরের বাইরের অংশ রান্না করে খাওয়া যায়।

হেঁচকি উঠা রোগে ডুমুরের বাইরের অংশ কেটে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে এক ঘন্টা, তারপর ছেঁকে নিয়ে ঐ পানি এক চামচ করে আধ ঘন্টা অন্তর খেলে হেঁচকি ওঠা বন্ধ হয়।ডায়াবেটিস রোগে ‘যজ্ঞ ডুমুর’ বা ‘কাকডুমুর’ গাছের মূলের রস খুবই উপকারী।