বাংলা নাম: দেশি ময়ূর ॥ ইংরেজি নামঃ Indian Peafowl ॥ বৈজ্ঞানিক নামঃPavo cristatus ॥

দেশি ময়ূর

প্রাক্তন এই আবাসিক পাখি ১৯৮০ খ্রিঃ পর পরই, বাংলাদেশ থেকে চির বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে, আমাদেরই আচরনে। এখন পার্কে — চিড়িয়াখানায় খাঁচার ভেতর দেখা মেলে এদেশে, কি আর করা। আরো কত পাখি ও প্রাণী বিদায় নেবে এদেশ থেকে। ভাবছি শুধু আঙুল চুষবো আমরা…..

দেশি ময়ূর ।

বাংলা নামঃ দেশি ময়ূর
ইংরেজি নামঃ Indian Peafowl
বৈজ্ঞানিক নামঃPavo cristatus

জাভা দ্বীপের বৃক্ষবাসী-হাঁস ।

“জাভা দ্বীপের বৃক্ষবাসী-হাঁস”
একদা কালীগাঙ ছিল, গড়াই নদীর শাখা। কোন একদিন এই গাঙেই, কলাগাছের ভেলায় শুয়ে, অচেতন অবস্থায় ভেসে এসেছিল বাউল সম্রাট লালন শাহ। এখন আর এটি গাঙ নেই । হেলেঞ্চ-কলমীলতা-কচুরিপানা আর নানা কিছিমের জলজ লতা-ঘাসে পরিণত হয়েছে জলাশয়ে। দুঃখ-বেদনার কিছু কারো যেন নেই। তাই আধ ভাঙা মন নিয়ে, দাঁড়িয়ে ছিলাম কালীগাঙের মাঝে বেঁধে দেওয়া বাঁধের উপর।হঠাৎ এক জোড়া উঠতি যুবক-যুবতী পাতি-শরালি ( বুনো হাঁসের ) চোখে, আমার চোখ পড়ে গেল। সাথে সাথে ক্যামেরায় ক্লিক। এই হাঁসেরা যখন উড়ে। তখন ওদের পাখার কিছু বিশেষ পালক থেকে নুপুরের ছন্দের মতো, নিক্বণ তুলে, ঝন ঝন শব্দ কানে এসে বাজে। এখনো এই বুনো হাঁসেরা, ঝুকি নিয়ে টিকে আছে বাংলাদেশে……….
বাংলা নামঃ পাতি-শরালি
ইংরেজি নামঃ Lesser Whistling Duck
বৈজ্ঞানিক নামঃ Dendrocygna javanica
গোত্রঃ আনাটিদি

এই পাখির বাংলা নামঃ হট-টিটি বা লাল লাতকা হট্টিটি।

বুনো মানুষেরই শুধু নয় ! প্রেমে পড়েছেন যাঁরা, তাদের বুকের ভেতরটাও আনচান করে উঠবে, এই পাখিটির ডাক শুনলে। যুবক পাখিটি “ডিড-ইউ-ডু-ইট …ডিড-ইউ-ডু-ইট“ ঠিক এই শব্দে ডেকেই চলেছে। একটু পরই নামবে বিধুর বিষাদি সন্ধ্যা। যবুতী পাখিটিও আড়াল থেকে সাড়া দিচ্ছে, ঠিক একই কন্ঠে “ডিড-ইউ-ডু-ইট …ডিড-ইউ-ডু-ইট“ শব্দে । প্রেমিক-প্রেমিকারাই জানে, বিধুর বিষাদি সন্ধ্যার এই “ডিড-ইউ-ডু-ইট …ডিড-ইউ-ডু-ইট“ ডাকে কি যাদু আছে…..
এই পাখির বাংলা নামঃ হট-টিটি বা লাল লাতকা হট্টিটি।
ইংরেজি নামঃ Red-wattled Lapwing
বৈজ্ঞানিক নামঃ Venellus indicus

লেখক:-এস আই সোহেল বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের নির্বাহী সদস্য এবং কুষ্টিয়া বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
স্বপ্নবাজ এই মানুষটি বাকি জীবন পাখি ও প্রকৃতি রক্ষায় আন্দোলন করার জন্য তার জীবন উৎসর্গ করেছেন।