পটুয়াখালী বিমান বন্দর এখন টুরিস্ট স্পট

তোফাজ্জেল হোসাইন,পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভুমি পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয়।
পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলাধীন বদরপুর ইউনিয়নের পটুয়াখালী লাউকাঠী সেতুর উত্তর এ অবস্থিত। এ বিমান বন্দরে বিমান চলাচল না করলেও বিভিন্ন সময় প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়। এটি এখন প্রায় দর্শনীয় স্হানে পরিনত হয়েছে। বিভিন্ন সময় যেমনঃ ঈদ, পূজা, পহেলা বৈশাখ, শীতের মৌসুম ইত্যাদিতে মানুষের ঢল নামে এখানে।

সকাল বেলা ভোরের নিস্তব্ধতায় নিশির ভেজা সবুজ ঘাসে ফুটে উঠে এক অনন্য দৃশ্য, নানান পেশার মানুষ আসে এখানে শারিরীক সুস্থতার জন্য, প্রতিদিন ব্যাম করার জন্য। বিকেল বেলা দেখা মেলে এখানে নানান পেশার মানুষের আনন্দময় জীবনের এক প্রতিস্ছবি।

এটি পটুয়াখালী সদর উপজেলাধীন বদরপুর ইউনিয়ন এ অবস্থিত। এ ইউনিয়ন এর পূর্বে লাউকাঠি ইউনিয়ন, পশ্চিমে ইটবাড়িয়া ইউনিয়ন, উত্তরে লেবুখালী ইউনিয়ন, দহ্মিনে পটুয়াখালী পৌরসভা। বিমান বন্দরের ভিতরে পূর্বে এখন অবস্থান করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এবং পশ্চিমে একটি সুন্দর নিল সবুজের আকর্ষনীয় দীঘি এর পাশে দিয়ে গেছে বরিশাল থেকে কুয়াকাটা হাইওয়ে রোর্ড, এর উত্তরে সরজমিন এর পড়ে বসতবাড়ি, এবং দহ্মিণে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শাখা এবং পটুয়াখালী লাউকাঠী নদী।

পটুয়াখালী বিমান বন্দরে প্রতিদিন বিকেলে বা কখনো সকালে দেখা মেলে পটুয়াখালী জেলার নানান ইস্কুল এবং কলেজের ছাত্রদের নানান খেলা। যেমনঃ ক্রিকেট, ফুটবল ইত্যাদি৷ পটুয়াখালী বিমান বন্দরে এসে অনেকে নিবিড় ভাবে একা সময় কাটায়।আবার কৈউ বন্ধুদের সাথে আড্ডায় আছে ৷

এলাকায় মানুষ জানান যে, আমাদের ছেলেদের খেলার মাঠ না থাকায় তারা এখানে এসে একটু খেলাদুলা করে। এবং এখানে অবস্থান করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। তাই এখানে দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম।

তারা আরো বলেন যে, এখানে প্রতিদিন নানান পেশার মানুষ ঘুরতে আসে তো সকাল এবং বিকেলে একটি সুন্দর দৃশ্য ফুটে উঠে পটুয়াখালী বিমান বন্দর। এই পটুয়াখালী বিমান বন্দর এর বয়স ৩৫ বছর এর বেশি হবে বলে ধারণা করে সাথারণ মানুষ।