বগুড়ায় নারী ইউপি সদস্যেকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ

বগুড়া প্রতিনিধি:

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে সরকারি কম্বল বিতরণের সময় আওয়ামী লীগ নেত্রী ও ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যানকে শ্লীলতাহানীর অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তিনি ধুনট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার এক ইউনিয়নের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য সরকারিভাবে শীতবস্ত্র হিসেবে ২৫০টি কম্বল বরাদ্দ রয়েছে। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা ১০টার দিকে সেই কম্বলগুলো ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বিতরণ শুরু করা হয়।

ঐদিন বেলা ১১টার দিকে ওই ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের সদস্য শরীফা খাতুনের স্বামী জহুরুল ইসলাম ও তার লোকজন কম্বল বিতরণে বাধা দেন। এসময় ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ফরহাদ হোসেন এবং ট্যাগ অফিসার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আশরাফ আলীর সাথে তাদের কথাকাটাকাটি হয়।

এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের ঐ নেত্রী ও প্যানেল চেয়ারম্যান এগিয়ে আসলে জহুরুল ও তার লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে তাকে শ্লীলতাহানি করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে তারা কৌশলে সটকে পড়েন। এ ঘটনার পর থেকে কম্বল বিতরণ বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে জহুরুল ইসলাম জানান, ইউপি সদস্যদের মাঝে কম্বল বিতরণের ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ইউপি সচিব ও ট্যাগ অফিসারের সাথে কথাকাটাকাটি হয়েছে। তবে ওই নারীকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ফরহাদ হোসেন জানান, জহুরুল ইসলাম এক নারী ইউপি সদস্যের স্বামী। তিনি কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে এসে তার জন্য অতিরিক্ত কম্বল বরাদ্দের দাবি করেন। এ বিষয়টি নিয়ে তার সাথে কথাকাটাকাটি হয়েছে।

ট্যাগ অফিসার ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আশরাফ আলী জানান, কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে স্থানীয় এক নারী ইউপি সদস্যের স্বামী এসে বাধা প্রদান করেন। এ ঘটনার পর কম্বল বিতরণ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

অলটাইমনিউজ/খালিদ