বগুড়ায় আবাদি জমি কেটে পুকুর খনন

বগুড়া (ধুনট) প্রতিনিধি:

বগুড়া জেলার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের ভান্ডারবাড়ী বাজারের শুটিংস্পটের পশ্চিম পাশ থেকে বেশ কয়েক দিন ধরে অবৈধ ভাবে দিনে দুপুরে প্রশাসন কে বৃদ্ধাংলী দেখিয়ে চলতি মৌসমে বেকু মেশিন ও অবৈধ ট্রাক্টর দিয়ে আবাদি জমির মাটি বিভিন্ন ইট ভাটায় চরা মূল্য বিক্রয় করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মরিসতলা বাজারের দোকানদার মাটি খেকো মোঃআল-আমিন।

এতে করে অতিরিক্ত ভারি ওজনের মাটি বহনকারী ট্রাক্টর পাকা রাস্তায় চলাচলের ফলে রাস্তা ডেবে গিয়ে ধুলার সৃষ্টি হচ্ছে। ঐ এলাকার পরিবেশ দূষণের ফলে শিশু ও বৃদ্ধ মানুষের নানা ধরনের রোগ ব্যাধি দেখা দিয়েছে। সরকারের কোটি টাকার পাকারাস্তা ঝুঁকির মুখে ফেলে উপজেলা প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে এমন অবৈধ মাটির ব্যবসা করে যাচ্ছে মাটি খেকো মোঃআল-আমিন।এক দিকে যমুনা নদী রহ্মা বাদের পশ্চিম পাশের মাটি বিক্রয়ের ফলে আশংকায় পরেছেন নদী পারের জন বসতি গুলো সেই সাথে ওই মাটিপয়েন্টের পাশেই রয়েছে ও-ই এলাকার কবরস্থান বর্ষা মৌসুমে যে কোন সময় পুকুর গর্ভে বিলিন হয়ে জেতে ও-ই কবরস্থানটি ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর ঘটনা। অপর দিকে ঝুঁকির মুখে পরেছে সরকারি কোটি টাকার পাকারাস্তা ও গ্রামের গ্রামিন কাঁচা রাস্তা গুলো।

জানা গেছে, মাটি খোকো মোঃআল-আমিন গত কয়েক মাস ধরে একই কায়দায় ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের আবাদি জমির মাটি বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এবং ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সের অদহ্ম ড্রাইভার দিয়ে ড্রাইভ করাচ্ছে ও-ই মাটি বহনকারী ট্রাক্টর এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দূর ঘটনা। এ ব্যাপারে মাটি খোকো মোঃআল-আমিন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি সব কিছু ম্যানেজ করেই মাটি বিক্রয় করছি। আমি ছোট মানুষ দিয়ে গাড়ি চলাচ্ছি এটা আমার ব্যাপার আপনাদের নয়, প্রশাসন আমার কিছুই করতে পারবে না। আপনারা নিউজ করেন আমিও আপদের দেখে নিবো বলে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে।

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মোঃবরকত উল্লাহ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,যদি আবাদি জমি থেকে অবৈধ ভাবে মাটি উওলন করে থাকে তদন্ত পূর্বক তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্তা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আসস্ত করেন।গুড়া জেলার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের ভান্ডারবাড়ী বাজারের শুটিংস্পটের পশ্চিম পাশ থেকে বেশ কয়েক দিন ধরে অবৈধ ভাবে দিনে দুপুরে প্রশাসন কে বৃদ্ধাংলী দেখিয়ে চলতি মৌসমে বেকু মেশিন ও অবৈধ ট্রাক্টর দিয়ে আবাদি জমির মাটি বিভিন্ন ইট ভাটায় চরা মূল্য বিক্রয় করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মরিসতলা বাজারের দোকানদার মাটি খেকো মোঃআল-আমিন।

এতে করে অতিরিক্ত ভারি ওজনের মাটি বহনকারী ট্রাক্টর পাকা রাস্তায় চলাচলের ফলে রাস্তা ডেবে গিয়ে ধুলার সৃষ্টি হচ্ছে। ঐ এলাকার পরিবেশ দূষণের ফলে শিশু ও বৃদ্ধ মানুষের নানা ধরনের রোগ ব্যাধি দেখা দিয়েছে। সরকারের কোটি টাকার পাকারাস্তা ঝুঁকির মুখে ফেলে উপজেলা প্রশাসনের চোখে ধুলো দিয়ে এমন অবৈধ মাটির ব্যবসা করে যাচ্ছে মাটি খেকো মোঃআল-আমিন।এক দিকে যমুনা নদী রহ্মা বাদের পশ্চিম পাশের মাটি বিক্রয়ের ফলে আশংকায় পরেছেন নদী পারের জন বসতি গুলো সেই সাথে ওই মাটিপয়েন্টের পাশেই রয়েছে ও-ই এলাকার কবরস্থান বর্ষা মৌসুমে যে কোন সময় পুকুর গর্ভে বিলিন হয়ে জেতে ও-ই কবরস্থানটি ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর ঘটনা। অপর দিকে ঝুঁকির মুখে পরেছে সরকারি কোটি টাকার পাকারাস্তা ও গ্রামের গ্রামিন কাঁচা রাস্তা গুলো।

জানা গেছে, মাটি খোকো মোঃআল-আমিন গত কয়েক মাস ধরে একই কায়দায় ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের আবাদি জমির মাটি বিক্রয় করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এবং ১২ থেকে ১৩ বছর বয়সের অদহ্ম ড্রাইভার দিয়ে ড্রাইভ করাচ্ছে ও-ই মাটি বহনকারী ট্রাক্টর এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে ছোট বড় দূর ঘটনা। এ ব্যাপারে মাটি খোকো মোঃআল-আমিন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি সব কিছু ম্যানেজ করেই মাটি বিক্রয় করছি। আমি ছোট মানুষ দিয়ে গাড়ি চলাচ্ছি এটা আমার ব্যাপার আপনাদের নয়, প্রশাসন আমার কিছুই করতে পারবে না। আপনারা নিউজ করেন আমিও আপদের দেখে নিবো বলে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে।

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব মোঃবরকত উল্লাহ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,যদি আবাদি জমি থেকে অবৈধ ভাবে মাটি উওলন করে থাকে তদন্ত পূর্বক তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্তা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি আসস্ত করেন।

অলটাইমনিউজ/খালিদ