বগুড়া শাজাহানপুর ইউপি নির্বাচনে ৯ এ ৭

সাবিক ওমর সবুজ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ৯ টি ইউপিতে আওয়ামীলীগের ৬ জন, আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী ১ জন এবং স্বতন্ত্র ২ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

উপজেলা নির্বাচন অফিসের দেয়া তথ্য অনুযায়ী – আশেকপুর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ৭ হাজার ৯শ ৪৩ ভোট পেয়ে ফিরোজ আলম নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হযরত আলী আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৫শ ৪৪ ভোট।

মাঝিড়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ৬ হাজার ৩শ ১৬ ভোট পেয়ে মোঃনূরুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সালাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৭০ ভোট।

খোট্টাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ৯শ’ ৪৯ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আব্দুল্লাহ্ আল ফারুক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী আবু সুফিয়ান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৮শ’ ৩০ ভোট।

আমরুল ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী সাইফুল ইসলাম বিমান আনারস প্রতীকে ৪ হাজার ৭শ ৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আসাফুদ্দৌলা সরকার শামীম মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪হাজার ২শ ৮২ ভোট।

চোপীনগর ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ৫ হাজার ২শ ৪১ ভোট পেয়ে মাহফুজার রহমান বাবলু নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী এমরান হোসেন মোটর সাইকেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯শ ৯৫ ভোট।

গোহাইল ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে ১০ হাজার ৫শ ২১ ভোট পেয়ে আলী আতোয়ার তালুকদার ফজু নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মান্নান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৮শ ২১ ভোট।

আড়িয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান টেবিল ফ্যান প্রতীকে ৭ হাজার ৩শ ৮৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৪ হাজার ৬শ ৫ ভোট।

মাদলা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুর রহমান ঘোড়া প্রতীকে ৪ হাজার ৩শ ৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুর রহমান আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩ হাজার ৫শ ৭৪ ভোট।

এছাড়া খরনা ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী ভিপি সাজেদুর রহমান শাহীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

এদিকে, গত ২৮ নভেম্বর রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ৯টি ইউপির ৯৪ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।সকল কেন্দ্র প্রশাসন ব্যপক তৎপর ছিলো।ভোটারা উৎসব মূখরভাবে ভোট দেন।দুই একটি কেন্দ্রে ছোট খাটো বিশৃঙ্খলা দেখা গেলেও প্রসাশনের তৎপরতায় সাথে সাথে সমাধান হয়ে যায়।