স্ত্রীকে বাঁচাতে কলেজ শিক্ষকের আকুতি

প্রতিনিধি:

মো: নাজমুল হক একজন কলেজ শিক্ষক। রাজধানীর ফিরোজা বাশার আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে শিক্ষকতা করেন। তার স্ত্রী মাহমুদা স্বপ্নাকে বাঁচাতে গিয়ে আজ সর্বস্ব হারানোর পথে তার পরিবার।

২০০৮ সালে মাহমুদা স্বপ্না শ্বাসকষ্ট ও ২০১৪ সালে স্ট্রোক (মস্তিষ্কে রক্তহরণ) নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরে বেড়িয়েছেন। স্ট্রোকের ছয়মাস পর তার শরীরের কিছু অংশ প্যারালাইসড হয়ে পড়ে। তারপর দেখা দেখা কোমড়ের সমস্যা। সর্বশেষ ধরা পড়ে থ্যালাসেমিয়া।

তিন বছরের চিকিৎসায় সফল না হওয়ায় ২০১৭ ভারতের সিএমসি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন দেশীয় চিকিৎসকের পরামর্শে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে আবারো যাওয়ার কথা থাকলেও আর্থিক সংকটের কারণে যেতে পারেননি তিনি।

পারিবারিক অভাব অনটন মাত্রাতিরিক্ত হয়ে পড়ে করোনাকালীন সময়ে। তিনি বলেন,”আমি যে কলেজে শিক্ষকতা করি সেটা বেসরকারি কলেজ। করোনাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে আমার টিউশন বন্ধ হয়ে গেলে আর্থিক সমস্যায় পড়তে হয়। পরিবারের অন্যান্য ব্যয় ব্যতিত শুধু স্বপ্নার চিকিৎসার জন্য আমাকে মাসে ১৫-২০ হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়।”

তিনি আরো বলেন, ”গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আমার পেতিক ভিটার বাড়ি ব্যতিত অন্য কিছুই বিক্রি করার অবশিষ্ট নেই। চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ৩৫-৪০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় করেও আমার ৬ লক্ষ টাকার মতো ঋণ। আমার স্কুল পড়–য়া দুই সন্তানের পড়াশোনাও বন্ধের পথে।আমি নিজেও ২০০৮ সাল থেকে হৃদরোগে আক্রান্ত।

বিভিন্ন সময়ে তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও আশেপাশের সুধীমহল তাকে সহযোগিতা করে আসছেন বলে তিনি জানান। আগামী ১০/১২/২০২১ তারিখে সহযোগিতা পেলে ভারতের চেন্নাইয়ে অবস্থিত সিএসসি হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার উদ্দ্যেশ্যে যাত্রা করবেন।

এ অবস্থায় নাজমুল হক তার স্ত্রীকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

সহায়তা পাঠাতে পারেন: মো. নাজমুল হক, ব্যাংক হিসাব: ২৫৮ ১৫১ ২৫১১১, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লি., মোহাম্মদপুর শাখা, ঢাকা-১২০৭। বিকাশ ও নগদেও সহায়তা পাঠানো যাবে। নম্বর: ০১৭১৬-৪৫১৭৯২।